শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরি ও মেধার বিকাশ ঘটাতে সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বিষয়ভিত্তিক বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুল চত্বরে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও উপাদানের কার্যক্রমসহ বিজ্ঞানের নানা বিষয় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রকল্পের মাধ্যমে তুলে ধরে। সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রিন্সিপাল আহমেদুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালক মো. আহসানুর রহিম বিটু। মেলার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিদ্যালয়ের পরিচালক মো. আহসানুর রহিম বিটু, কলারোয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এস এম আনোয়ারুজ্জামান মুকুল এবং সততা ক্লিনিকের প্রোপ্রাইটর এস এম আক্তারুজ্জামান মুকুল।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ভাইস প্রিন্সিপাল ছন্দা রাহা, সহকারী শিক্ষক মোছা. সাদিয়া ইসলাম, কার্তিক রং, মোছা. শাহানাজ পারভিন, কৃষ্ণপদ কুলিন, পীযূষ মণ্ডল, মো. আশরাফুল ইসলাম, মোছা. রেবেকা সুলতানা, পূজা দত্ত, মোছা. রহিমা খাতুন, সুশান্ত ঘোষ, বিশ্বজিৎ দাস, মনোতোষ কুমার রায়, মো. ফজলুল হক, মো. আল শাহরিয়ার অনিক, মোছা. লতিফা ইয়াসমিন ও মো. খালিদ হাসানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আহসানুর রহিম বিটু বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশে পড়াশোনার পাশাপাশি বিজ্ঞানের চর্চা, বিজ্ঞান মেলা, উদ্যোক্তা মেলা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের চর্চা জরুরি। আগামীর আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি বিষয় অনুসরণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই বিষয়ভিত্তিক বিজ্ঞান মেলার আয়োজন।’ তিনি আরও জানান, আগামী রোববার সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুল চত্বরে উদ্যোক্তা মেলার আয়োজন করা হবে। ওই মেলায় উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
বিচারক ও কলারোয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এস এম আনোয়ারুজ্জামান মুকুল বলেন, সাতক্ষীরা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আনিছুর রহিম ছিলেন স্বনামধন্য কলেজ শিক্ষক, সাংবাদিক, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসংস্কারক। তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই যুগোপযোগী শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে সাতক্ষীরার শিক্ষাঙ্গনে সুনাম ধরে রেখেছে। ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়টি এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রিপোর্টার 




















